Published Date : 1st Nov, 2026 Published by Scolars Bangladesh Scoiety
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার্স সোসাইটির ১৮তম বার্ষিক বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে ‘সিভিলিয়ান অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ট্রাফিক সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন। গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) কুইন্সের টেরেস অন দ্য পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন ও কমিউনিটিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানসংক্রান্ত তথ্যে জানানো হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মুসলিম কর্মকর্তাদের সংগঠন মুসলিম অফিসার্স সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশসহ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ট্রাফিক বিভাগের সদস্য, তাঁদের পরিবার এবং বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রায় ৭০০ অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত আয়োজনে পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি শিক্ষা ও জনসেবায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা জানানো হয়।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি-আমেরিকান আনোয়ার হোসেনের সম্মাননা প্রাপ্তির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। তিনি এনওয়াইপিডির ট্রাফিক বিভাগে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত। তাঁর দায়িত্ব পালন ও কমিউনিটিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘সিভিলিয়ান অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মুসলিম অফিসার্স সোসাইটির সভাপতি ডেপুটি ইন্সপেক্টর ওয়াহিদ আখতার সংগঠনের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত মুসলিম কর্মকর্তাদের পেশাগত অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে পুলিশ বিভাগের সম্পর্ক শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
আয়োজনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান। পুলিশ বিভাগের সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান রাখা কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে পেশাগত উন্নয়ন, নেতৃত্বের সুযোগ এবং সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত, অতিথিদের বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। নৈশভোজ ও আরবি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। এতে বিভিন্ন দেশের মুসলিম কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ পান।
নিউইয়র্কে কর্মরত বাংলাদেশি-আমেরিকানদের জন্য এ ধরনের সম্মাননা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে তাঁদের পেশাগত অবদান কমিউনিটির প্রতিনিধিত্বকে আরও দৃশ্যমান করে তুলছে। আনোয়ার হোসেনের সম্মাননা প্রাপ্তির খবরও সেই অর্জনের অংশ হিসেবে সামনে এসেছে।
Do you think that the non-resident Bengalis should have the right to vote in the upcoming election? Justify your answer. What do you think will be the proper way to implement the voting system?