ঢাকা মেডিকেল কলেজের শ্রেণিকক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আইভি লিগ খ্যাত ব্রাউন ইউনিভার্সিটি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. রুহুল আবিদ।
Published Date : 26th Oct, 2026 Published by Scolars Bangladesh Scoiety
বর্তমানে তিনি ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়ারেন আলপার্ট মেডিকেল স্কুলের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, রোড আইল্যান্ড হাসপাতালের কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ সেন্টারের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর এবং ব্রাউন গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভের এক্সিকিউটিভ ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি ব্রাউন ইউনিভার্সিটির কার্ডিওভাসকুলার ফেলোশিপ প্রোগ্রামের কো-ডিরেক্টর এবং গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য।
ডা. আবিদের শিক্ষাজীবনও আন্তর্জাতিক। তিনি এমডি করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে, পিএইচডি করেছেন জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটি থেকে মলিকুলার বায়োলজি ও বায়োকেমিস্ট্রিতে এবং ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে। ২০০২ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে ফ্যাকাল্টি হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এরপর যোগ দেন ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে।
শুধু গবেষণা বা ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ নন ডা. রুহুল আবিদ। তিনি মানবসেবামূলক সংগঠন Health and Education for All (HAEFA) এর প্রেসিডেন্ট। এই সংগঠনের মাধ্যমে ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যসেবা এবং ২০১৭ সাল থেকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন তিনি।
তার এই অসামান্য মানবিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২০ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয় ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস বোস্টন (UMass Boston)। বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর জ্যঁ-ফিলিপ বেলো এই মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কার্ডিওভাসকুলার রোগ ও অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ে তার গবেষণা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। সম্প্রতি বাংলাদেশের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন ডিপার্টমেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি "Research and Publication in Improving Clinical and Health Care Delivery Service" শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ঢাকা থেকে হার্ভার্ড, হার্ভার্ড থেকে ব্রাউন — ডা. রুহুল আবিদ প্রমাণ করেছেন, শিকড় ভুলে না গিয়েও বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা সম্ভব।
ডিসক্লেইমার:
এই প্রতিবেদনটি ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, হার্ভার্ড সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দ্য ডেইলি স্টার এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। ডা. রুহুল আবিদের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস বোস্টন কর্তৃক প্রদত্ত এবং বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী উল্লেখ করা হয়েছে। নোবেল কমিটি ৫০ বছর আগে মনোনয়নের আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করে না। কোনো তথ্যে অসংগতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে যাচাই করার অনুরোধ রইল।
Do you think that the non-resident Bengalis should have the right to vote in the upcoming election? Justify your answer. What do you think will be the proper way to implement the voting system?